Taher Almahdi (Page ৪)

সাহিত্যপ্রেমী, ওয়েব ডেভেলপার।

বা ড়া

… ‘ব’ যোগ ‘ড়’ সমান বড়! এইখানে ‘ব’ সমান বাহী কিংবা বাহক এবং ‘ড়’ সমান ডয়নের রহস্যরূপ। সুতরাং ‘বড়’ সমান বাহক কিংবা বাহীর ডয়নের রহস্যরূপ। ‘ব্’ যোগ ‘আ’ সমান ‘বা’। ওপরে জেনেছি, ব-এর মান … এক্ষণ জানব, ব্-এর মান ‘বহন’ এবং আ-এর মান ‘আধার’ অর্থাৎ

গজদন্ত

প্রিয় গজদন্ত, আজও তোমাকে ভালবাসি— প্রিয় তোমাকে ভজনা করি… দাঁতের ওপরে দাঁতের দাম্পত্যে— না বি/বাদে, না কলহে, বলি না কাউকে, একটা থাপ্পড়ে সব দাঁত ফেলে দেব! বরং দাঁতাল কাহিনীর জনপদে হাসির ঝর্ণাধারায় সবুজের বুকে জলের উচ্ছ্বাস দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর গজদন্ত শাখা ভালবাসি… প্রিয় গজদন্ত,

এ কা ন্ন ব র্ত্তী

… না, খাইয়া আসি নাই— তোয়ালে দিন, হাতমুখ ধুইয়া আসি, (পরমান্ন) গরম ভাতের ঘ্রাণে মোচড় মারিতেছে ক্ষুধার পাঁচালী! কমরেড্, আপনার কি মনে আছে? (পাঠশালায় পড়া) ‘একান্ন’ শব্দের সন্ধির ৰিচ্ছেদ— একান্ন = √এক্ + অন্ন! আমাদের হাটের হাঁড়িটি ভাঙ্গাভাঙ্গির ৰিপরীতে এক হৈতে পারিত— আমরা ত একান্নৰর্ত্তী

আলিফ কাব্য

আলিফের ভাষাজ্ঞান তোমাকে আকারের ভিতরে নিরাকারে খুঁজি।খুঁজে ফিরি নিরাকারের আকার।তুমি কি শুধুই শব্দ, তুমি কি শুধুই অক্ষর?তুমি কি শুধুই মুখের ভাষা? তুমি কি শুধুই উপলব্ধি?মনে হয় তার থেকেও বহুগুণ বেশী।ধরি, যদি না থাকত মানুষের ভাষা, থাকত মানুষ।মানুষের স্মরণে মানুষের কর্ম্মে থাকতে কি তুমি?জ্ঞানের পরিধিতে তা-ও

এগার সেপ্টেম্বর

এগার সেপ্টেম্বরে তুমি বিতাড়িত, বিলুপ্ত, সমাহিতপতিত গাছের নীচে, দিগন্ত উত্তোলিত গ্রামের কাছাকাছিপাহাড়ী আশ্রমের ঘণ্টাধ্বনিতেযেখানে তোমার বার বছর বয়সী কন্যার স্বপ্ন  উচ্ছেদ হচ্ছেবুকের ভেতর থেকে কবিতাসারি সারি বৃক্ষেরা সরে যাচ্ছে দৃষ্টির বাইরে এগার সেপ্টেম্বর হৃৎপিণ্ড তলিয়ে যেতে থাকেঘণ্টাধ্বনিতে, বয়ষ্ক পৃষ্ঠাগুলোর অনভিজ্ঞ পাঠেতাদের সম্মানে, যারা এসেছে আমাদের

সংস্কৃত ভাষা কি বাংলার জননী?

জননী শব্দটি দিয়ে সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়। ভাষার ক্ষেত্রে সংস্কৃতের সঙ্গে সম্পর্ক তখনই মার খেয়ে যায় যখন সংস্কৃত হল মৃত ভাষা, আর বাংলা হল জীবন্ত ভাষা। শিশুরা মায়ের মুখ থেকে বাংলা শুনে শেখে। জীবিত ভাষা কখনও মৃত ভাষার সন্তান হয় না, তেমনি বিপরীতে মৃত ভাষার

রোদনের পদাবলী

সেই কবে মারা গেছে, হাঁটুজল নদী, বাঁকে বাঁকে ঢেউয়ের দোলা, কাশফুলের ওড়না ওড়া বনে বাতাসের দোলা, সবুজের নৃত্য, দোলায়িত মন, মাঠের রাখাল, গরুর পালের হাঁটুজল পাড়ি, দড়ী ছেঁড়া গাভীটার পিছু ছোটা, রাখালিয়া বাঁশীটার মেঠোমনা সুরে নেচে নেচে খেলা করা ঘাসফুলটার মন, উদাস কুটীরে ফেরা সময়যাপন,

বঙ্গবন্ধু হত্যা ও বাঙ্গালা-বাঙ্গালীর রাজনৈতিক হাহাকার

সেই কবে মারা গেছে, হাঁটুজল নদী, বাঁকে বাঁকে ঢেউয়ের দোলা,কাশফুলের ওড়না ওড়া বনে বাতাসের দোলা, সবুজের নৃত্য,দোলায়িত মন,মাঠের রাখাল, গরুর পালের হাঁটুজল পাড়ি,দড়ী ছেঁড়া গাভীটার পিছু ছোটা, রাখালিয়া বাঁশীটার মেঠোমনা সুরেনেচে নেচে খেলা করা ঘাসফুলটার মন, উদাস কুটীরে ফেরাসময়যাপন, ভরা কলসের আকাঙ্খা,সময়ের পটভূমিকায়, মনে, খেলছে

নিঃক্ষত্রিয়

সবাই নয়। হয়ত কেউ কেউ মৃত্যুর মত কিংবা মৃত্যুর কাছাকাছি কিংবা মৃত্যুর চেয়ে ভয়ঙ্কর। অপমানে-অপমানে অবগুণ্ঠিত হয়েছি। ফের জেগেছি। জলে-ডাঙ্গায় কেউ কেউ নয়। হয়ত একা সবাই নয়। হয়ত কেউ কেউ অবুঝ পাতার মত গুটায়ে নিয়েছি। সিঁটায়ে গিয়েছি। লজ্জায়-লজ্জায় নিজের ভেতরে নিজে। নিজেকে ফের মেলেছি। লজ্জাবতী লতা

জীবাত্মা

  যাকে ঠিক হৃদয় নয়। ভেবে বসেছিলাম আত্মা। সেই আত্মা কখন হৃদয়ের খাঁচা ছেড়ে উড়ে গেল। এখন আমি শুন্য খাঁচার দিকে তাকায়ে থাকি। সেখানে আর কোন স্পন্দন পাই না। এখন আমার দৃষ্টি শ্মশানের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমি শুধু বিভ্রমের মত কিছু বিস্ফোরণ দেখি। কেউ কেউ

হিমাঙ্কের উচ্চারণমালা

বিস্ময়বিন্দু … ই হিহি তা উচ্চারণ কর আর দেখ শীতভাব জেঁকে বসেছে শরীরে! হিমঘ্রাণ প্রত্যাশী উন্মূল দূরত্বে নির্লিপ্ত ছায়ার অংশভাগী সে। মোমের ভাস্কর্য্য! নিজের ছায়ায় ভেঙে যায় জলমুকুর। মেঘ ও মন্তাজ। আগুনপোড়াসন্ধ্যা খুলছে পারস্যের গোপন গোলাপ … বুকের অলিন্দে ছিমছাম বাজতে থাকে মেঘমল্লার রাগ ও

খুনিয়ারা

সবকিছু অন্যরকম কারুকর্ম্মের মত তাদের কাছে যারা নিভৃতে খুন করে প্রকাশ্যে টেনে ছিঁড়ে নেয় শ্বাসনালী, মাথার খুলী ভাঙ্গে বাদামের খোসা ভাঙ্গার সহজ দক্ষতায় বলতে পারে, ও আর এমনকি সবই ইতিহাস অতীতের কাসুন্দি সবকিছু অন্যরকম তাদের সুবিমল আঙ্গুলের ডগায় হার মেনে হুমড়ি খায় গোক্ষুরের বিষফনা কত